মিরপুরে কলেজ ছাত্রীর সাথে প্রতারনা করলো বাবা ছেলে।

মিরপুরে কলেজ ছাত্রীর সাথে প্রতারনা করলো বাবা ছেলে।

বাংলাদেশে নারী নির্জাতন নতুন কিছু নয়। প্রতিদিন হাজারো মেয়েরা নির্জাতনের শিকার হলেও রাজধানীর শাহ আলী থানাধীন নবাবের বাগের কলেজ ছাত্রী সুমাইয়ার সাথে ঘটে গেলো ভিন্ন রকম ঘটনা। প্রথমে বন্ধুর বাসায় নিয়ে ধর্ষণ এবং নোংরা ছবি তুলে ব্লাক মেইল। তার পর বিয়ের আগেই স্বামী স্ত্রীর মত সংসার করলেও সেটা করেন বিয়ের আগেই। এমনই ঘটনা ঘটালেন নবাবের বাগের বাসিন্দা প্রতারক ছালেমউদ্দিন ও তার এক মাত্র ছেলে সাব্বির। ২০১৯ সালে জোর করে বন্ধুর বাসায় নিয়ে ধর্ষন করে সেই ছবি মোবাইল ফোনে ধারন করে বিভিন্ন সময় ব্লাক মেইল করে এই সাব্বির। তার পর প্রতারনার শিকার কলেজ ছাত্রী সুমাইয়ার পেটে সন্তান আসলে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে সুমাইয়ার পরিবার। বিয়ে করতে না চাওয়াই শাহ আলী থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন সুমাইয়ার পরিবার। এক পর্যায়ে বাচচা নষ্ট করতে বলেন ছালেমউদ্দিন। প্রতারক ছালেমউদ্দিন বলেন বাচ্চা নষ্ট করে ফেললে তার ছেলের বৌ করে ঘরে নিবে সুমাইয়াকে। এটাও ছিল প্রতারকের একটা চাল। তার পর দারুস সালাম থানাধীন জহুরাবাদ এলাকায় মাতৃসেবা নারসিং হোমে এসে বাচচা নষ্ট করেন। এবং দুই পরিবার মিলেই মিরপুর এক নাম্বারে একটি কাজী অফিসে বিয়ে হয় তাদের। সেই বিয়েতে শাক্ষী হিসাবে দেখা যায় ছালেমউদ্দিনের ২ সালার নাম। তার পরও ছালেমউদ্দিন বলেন এই বিয়ের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাহলে কি এটা মিথ্যা কোন কিছু? এমন প্রশ্ন ওঠে সবার মনে। কিনতু সরেজমিনে গিয়ে যানা যায় এই ছালেমউদ্দিন একজন বড় ধরনের প্রতারক।বিয়ের পর সুমাইয়াকে বাসায় নিয়ে গিয়ে শুরু করেন অন্য কিছু। নতুন করে বলতে থাকেন ৫ লাখ টাকা যৌতুক না দিলে তুমি আমার বাসা থেকে চলে যাও। আমার ছেলের সাথে সংসার করতে হলে ৫ লাখ টাকা নিয়ে আমার বাড়িতে আসো। এমন কথা বলেই মাইরধর করতে থাকেন প্রতারক ছালেমউদ্দিনের ডাইনি বৌ রিনা আকতার।ডাইনি রিনা আকতার কথায় কথায় সুমাইয়াকে মারধর করতেন। বিয়ের মাত্র ৩ দিনের মাথায় শোশুর বাড়ি টিকতে না পেরে বাবার বাসায় চলে আসতে বাধ্য হয় সুমাইয়া। শুধু এখানেই শেষ হয়নি। সুমাইয়ার বিরুদ্ধে চলেছে আরো নাজানা অনেক নির্জাতন। যা সুনলে শিউরে উঠবে।সুমাইয়া পায়ুপথে নির্জাতনের মত ঘটনাও ঘটেছে। পরে পায়ু পথে ইনফেকশন হলে শহিদ সরওয়ারদী হাসপাতালে চিকিৎসা করার সুমাইয়ার পরিবার।এত কিছুর পর আবার যখন শাহ আলী থানায় মামলা করার জন্য যায়। তখন থানা পুলিশ তাদের কোর্টে মামলা করার জন্য বলেন। এবং সুমাইয়ার পরিবার কোর্টে মামলা করেন।সেই মামলাই প্রতারক সাব্বির আগাম জামিন চাইতে গেলে। প্রতারক সাব্বির কে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। তার পর পুনরাই জামিনে এসে প্রতারক বাবা এবং ছেলে মিলে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও জানান কলেজ ছাত্রী সুমাইয়ার পরিবার।