বিশেষ প্রতিনিধি আবুল কাশেম,,মাদক হচ্ছে সকল অপরাধের মা, মাদক ছাড়ুন না হয় আমার থানা এলাকা ছাড়ুন ওসি খিলগাঁ পুলিশি ভাবমূর্তি উজ্জ্বল এর লক্ষ্যে,বর্তমানে সমগ্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা একযোগে সততা ও নিষ্ঠান সাথে কাজ করে চলেছেন।
ঢাকা মহানগর ডিএমপি পুলিশের মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও থানার নবনিযুক্ত (ওসি) অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ ফারুকুল আলম। টপ নিউজ 24 বলেন পুলিশ জনগনের বন্ধু জনগনের সেবক । তাই জণগনের সেবক হয়ে জনসাধারণ এর পাশে থেকে সেবা নিশ্চিত করতে চাই । থানা হলো সবার জন্য একটি উন্মুক্ত সেবা পাওয়ার আশ্রয় স্থান। এখানে সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানি করার কোন সুযোগ নেই, আছে অবাধ শৃঙ্খলা । এমন টাই বললেন খিলগাঁও থানার নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ফারুকুল আলম।
বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং জনগণেকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রতি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। সরকারের এই প্রত্যাশা পূরণে আমরা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এক্ষেত্রে দেশে কে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে হলে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা। মাদক হলো সকল অপরাধের মা, কারন মাদক থেকেই সকল অপরাধের জন্ম হয় মাদক নির্মূলে জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। হয়তো অনেকে এই মাদক বিরোধী যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক কিন্তু কিভাবে অংশগ্রহণ করবেন সেটাই বুঝে উঠতে পারছেন না, তাই দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে আপনার এলাকার সকল অপরাধের তথ্য পুলিশকে দিয়ে সহযোগিতা করুন খিলগাঁও থানার প্রতিটি ঘরে ঘরে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুন। খিলগাঁও থানা এলাকায় মাদক থাকবে না আমি যতদিন এই থানায় কর্মরত আছি, মাদকের পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনার জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি, খুব দ্রুতই তাদের কে আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করব।

তিনি আরো বলেন, তার পরেও কিছু পুলিশ সদস্যদের কারুনে দিন দিন জনগনের কাছে পুলিশ বাহিনী আতঙ্কের কারন হয়ে উঠছে। ব্যাক্তির অনিয়মের দায় পুরো পুলিশ বাহিনী নিবেনা । এসব বিশৃঙ্খলা থেকে সকল পুলিশ সদস্যকে বেড়িয়ে আসতে হবে এবং জনগনকেও সচেতন হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে একযোগে যুদ্ধো ঘোষণা করতে হবে। সমাজটাকে সুন্দর করতে হলে সবাইকে এক সাথে মিলেমিশে কাজ করার কোন বিকল্পনেই।

খিলগাঁও থানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তাদের হুশিয়ার করে তাদের উদ্দেশ্য বলেন, “সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানি করা থেকে সবাই বিরত থাকুন, নিজেকে সেবক ভাবুন তাহলে পুলিশের উপর জনগনের আস্থা ফিরে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, থানার সকল পুলিশের নিয়মনীতি জানা রয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশের উপর ন্যাস্থ। সেই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করুণ। না হয় নিজেই আগে থেকে আমার থানা থেকে কেটে পড়ুন, নইলে পরে আইনের আওতায় আনতে বাধ্য হবো। কোন অসৎ পুলিশ সদস্য আমার থানায় ঠাই হবে না। কিছু পুলিশ সদস্যের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমে এই থানার ই-মেইজ প্রশ্নবিদ্ধ হোক সেটি কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না বলে কঠোর হুশিয়াঁরি দেন তিনি খিলগাঁও থানার নবনিযুক্ত এই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের কঠোর হুশিয়ারি রয়েছে। থানা এলাকায় অপরাধ, অনিয়ম, চুরি, ছিনতাই, জুয়ারি, মধুচক্র, মাদক কারবার, চিহৃিত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজীসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে যারা জড়িত আছেন তাদের খুজে খুজে তালিকা করা হবে এবং তাদের কে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক হচ্ছে সকল অপরাধের মা আমি মাদক রাখবো না, মাদক ব্যবসায়ীকে বাড়ি,অফিস,ভাড়া দিবেন না, দিলে আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়ার অপরাধে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের সাথে জড়িত থাকলে আমার থানা ও জেল খানার দরজা আপনার জন্য খোলা থাকবে, এটা আমার প্রতিজ্ঞা। মাদক ছাড়ুন না হয় আমার থানা এলাকা ছাড়ুন। নইলে পার পাবেন না। আমি প্রতিটি বাড়িওয়ালাদের প্রতি অনুরোধ করছি আপনারা অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সব সময়ে সঠিক ভাবে পালন করেছি। কোন বাধা বিপত্বি আমাকে আটকাতে পারেনি আর পারবেও না। আমার চাকরিক্ষেত্র যেখানেই বদলি হয়েছি পুলিশ বাহিনীর সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব।

এছাড়া সরকার দলের নাম ভাঙ্গীয়ে কেউ যদি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজীর মত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে সমাজের সাধারণ জনগণ সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় মাদক চোরা কারবারি ও সন্ত্রাসী অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের সকল কে নির্মূল করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি । থানা এবং সামাজটা কে সুন্দর ভাবে সাজাতে জনসাধারণ ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতার হাত বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here