মাদকের সাথে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যদের ড্রোপ টেস্ট করা হবে
————–ডিএমপি কমিশন,, বিশেষ প্রতিনিধি আবুল কাশেম,,,,১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব পুলিশ সদস্য মাদকের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে। মাদক সেবী সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করা হবে। ডোপ টেস্ট করে যে সকল পুলিশ সদস্যদের পজিটিভ বা মাদক নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাকে চাকরি চুতো করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়াহবে বলে জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘‘রাস্তাঘাটে মোড়ে মোড়ে ওলি গলিতে যেসব পথশিশু মাদক সেবন ও ‘ড্যান্ডি’ খাচ্ছে, তাদের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ, এরাই ভবিষ্যতে বড় হয়ে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পরতে পারে। যে সকল দোকান মালিক শিশুদের কাছে জুতার আঠা বিক্রি করবে তাদেরকেও আইনের আনা হবে। শিশু কিশোরদের কাছে নেশা জাতীয় কোনো কিছু বিক্রি করা যাবে না।

তিনি আরো বলেন, ‘বিট পুলিশিং ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী থেকে প্রাপ্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে মাদকসেবী ও পৃষ্ঠপোষকদের তালিকা করা হবে। প্রথমিক পর্যায়ে আমরা মাদকসেবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে পুনর্বাসনে সহাযোগিতা করবো।

’তিনি বলেন, ‘মাদকের সাথে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে এ বিষয়ে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে নেমেছি, সেটি অব্যাহত রাখতে হবে যে কোনো মুল্যে। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ওক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে বলে জানান তিনি।

গত জুলাই মাসে সংঘটিত অপরাধ পর্যালোচনা করে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডিএমপি কমিশনার।

গত জুলাই মাসে ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ এবং ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগ। এসময় সন্তুষ্টজনক কাজের জন্য ৩৭ পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here