ভিক্ষুক মহিলার কাছ থেকে জোর করে ২০০০ টাকা ছিনিয়ে নিলো ইউপি সদস্য দৌলত মিয়া

তাইফুর রহমান তপু

নেত্রকোনায় ভিক্ষুকের উত্তোলনকৃত বয়স্ক ভাতার টাকা থেকে জোর করে দুই হাজার টাকা রেখে দিলো ইউপি সদস্য দৌলত মিয়া।

ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনা সদর উপজেলার ২ নং মেদনী ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড গড়কান্দা গ্রামে । ওই গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী মোছাম্মদ হাজেরা বেগম (৬৮) জানান, আমি পাড়া ঘুরে মানুষের কাছ থেকে ভিক্ষা করে খাই, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান এবং মেম্বার এর ধারে ধারে ঘুরে অবশেষে আমার একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়।

কার্ডের টাকা উত্তোলন করে টাকা নিয়ে চলে আসার পথে পথ রোধ করে আমার কাছ থেকে জোর করে ২০০০ টাকা রেখে দেয় দৌলা (দৌলত) মেম্বার ! আমি তারে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং অনেক কান্নাকাটি করে বলি; আমি ভিক্ষা করে খায় আমার কাছ থেকে এত টাকা রাখবেন না দয়া করে !

তার পরেও সে আমার কথা না শুনে জোরজবস্তি করে ২০০০ টাকাই নিয়ে যায় এবং বলে তোমার এই কার্ড করতে গিয়ে আমার খরচ হইছে সেই খরচের টাকা নিলাম।

একই অভিযোগ গড়কন্দার হাজেরা বেগম (৭৩) এর, হাজেরা বলেন আমার একটা কার্ডের জন্য আমি অনেক ঘুরেছি, গেলেই বলে আমার বয়স হয়নি, পরে ২০০০ টাকার মাধ্যমে আমার কার্ড করে দিয়েছে দৌলত মেম্বার।

এমনকি করোনাকালীন সময়ও তাদের কাছে আমরা কোন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা পাইনি ।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য দৌলত মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাজেরা এবং হালেমার বয়স্ক ভাতার কার্ড আমি আমার নিজের পকেটের টাকা খরচ করে করে দিয়েছি আপনারা আমাকে অযথা হয়রানি করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ এরশাদুল আহমেদের, সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন সরকারি দুস্থ ,অসহায়, বয়স্ক ,বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা সহ আরো অন্যান্য কার্যক্রম পূর্বেও ফ্রিতে ছিল এখনো চলমান আছে।

ভুক্তভোগির বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্তকে ডেকে এনে আরো কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের পর যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here