টপ নিউজ 24

রাজধানী প্রতিনিধি

রাজধানীর কদমতলীতে বাবা, মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক মেহজাবিন ইসলামকে গ্রেফতার দেখিয়েছে কদমতলী থানা পুলিশ। আটক হওয়া মেহজাবিন নিহত দম্পতির বড় মেয়ে।
রোববার (২০ জুন) সকালে এ মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছে কদমতলী থানা।
শনিবার (১৯ জুন) রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুরের একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও বোনসহ একই পরিবারের তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই সাথে ওই বাসা থেকে তাদের জামাই শফিকুল ইসলাম অরণ্য ও তার মেয়ে মারজান তাবাসসুম তৃপ্তি নামে ৪ বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)।
এদিকে এ ঘটনায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন আটক মেহজাবিন ইসলামের খালা ইয়াসমিন।
শনিবার (১৯ জুন) গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ভাগ্নি মেহজাবিনের স্বামী শফিক একজন খুনি ও একাধিক মামলার আসামি। ৫ বছর আগে কেরানীগঞ্জে একজনকে হত্যা করেন। সে মামলা থেকে রেহাই পেতে টাকার জন্য ভাগ্নি মেহজাবিনের সঙ্গে তার স্বামী শফিকুল ইসলামের প্রায় ঝগড়া হতো। তাছাড়া শফিক তার শালি আমার আরেক ভাগ্নি জান্নাতুল ইসলামের সঙ্গে জোরপূর্বক অনৈতিক কাজ করত। এ ঘটনা আমার নিহত বোন মৌসুমী জানতে পেরে জামাতা শফিককে বাধা দিতেন। এ নিয়ে আমার বোনের সঙ্গে শফিকের প্রায় ঝগড়া হতো।
এ বিষয়ে শনিবার (১৯ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের বাসা কদমতলীর বাগানবাড়িতে। মুরাদপুরে একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকে তার শ্বশুর-শাশুড়ির পরিবার। স্ত্রী মেহজাবিনের সঙ্গে আমার বেশ কিছুদিন ধরেই বিরোধ চলছে। তারই জের ধরে সে ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে। এর আগেও তরমুজের সঙ্গে কিছু একটা মিশিয়ে সে হত্যার চেষ্টা করেছিল বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, শনিবার (১৯ জুন) রাজধানীর কদমতলীর একটি বাসা থেকে একই পরিবারের তিনজনের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- মেহজাবিনের মা মৌসুমী ইসলাম (৪০), বাবা মাসুদ রানা (৫০) ও বোন জান্নাতুল (২০)।
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মা-বাবা ও বোনকে হত্যার পর স্বামী ও কন্যাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন মেহজাবিন ইসলাম মুন। মেহজাবিনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here