অ’ভিযানের সময় ৫ টাকার পয়সাও নিয়ে গেছেন উখিয়ার থা’নার অফিসার ইনচার্জ ওসি ম’র্জিনা আকতার। পাশাপাশি ওসি প্রদীপের সঙ্গে মিলে মা, বোন ও আমাকে নি’র্যাতন করেছেন অমানুষিকভাবে। তারা ১৮ লাখ টাকার নেয়ার কথা বলে নিয়ে গেছে ৫১ লাখ টাকার বেশি। ওই দুই ওসি এই ন্যাক্কারজনক অ’ভিযানে আমা’র নির্দোষ শ্বশুরকে যেমন নিয়ে গেছে, একই সঙ্গে নিয়ে গেছে আমাদের সহায় সম্বলও।

উপরের কথাগুলো বলেছেন কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং এলাকার ইউপি সদস্য কথিত ব’ন্দুকযু’দ্ধে সম্প্রতি সময়ে নি’হত বখতিয়ার মেম্বারের পুত্রবধূ রোমানা শারমিন।

তিনি জানান, পাশাপাশি পরিবারের সব পুরুষ সদস্যদের মা’মলা দিয়ে করেছে এলাকা ছাড়াও। যে কারণে প্রতিনিয়ত চরম নিরাপত্তাহীনতায় চলছে তাদের পরিবার পরিজনের জীবনযাত্রা।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা নি’হতের মাত্র সাত দিন আগে (২৩ জুলাই) আরেকটি ভ’য়াবহ কথিত বন্দুযু’দ্ধের ঘটনা ঘটায় তৎকালীন টেকনাফ থা’নার ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশ ও উখিয়া থা’নার ওসি ম’র্জিনা আকতার। ওই দুই থা’নার ওসির যৌথ নেতৃত্বে ওই দিন ভোর রাতে উখিয়ার রাজা’পালংয়ের ইউপি মেম্বার বখতিয়ারকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পু’লিশ।

বখতিয়ার মেম্বারের স্ত্রী’ শাহিন আকতার বলেন, “পু’লিশের দাবি ছিল গাড়িতে একজন আ’সামি আছে তাকে শনাক্ত করতে হবে। তাই বাড়ির বাইরে আসতে হবে। কিন্তু দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই রাক্ষসী বাঘের মত থাবা দিয়ে নিয়ে যায় মেম্বারকে। পরে অনেক খোঁজাখুজির করে খবর পাওয়া যায়নি। একই দিন সন্ধ্যায় পুনরায় ওসি প্রদীপ ও ওসি ম’র্জিনা নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের পু’লিশের একটি দল অ’ভিযান চালায় আবারো বাসায়। ওসি প্রদীপ ওই সময় বলেন, ‘বখতিয়ার মেম্বার বলেছে আলমা’রিতে ১৮ লাখ টাকা আছে। ওই টাকা বের করে দাও’। যখন পু’লিশের কথামত টাকা বের করা না হয় তখন আমাকে (শাহীন আক্তার) হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে রেখে পরিবারের সকল মে’য়েদের ওপর চলে অমানুষিক অ’ত্যাচার। শেষমেষ ১৮ লাখ টাকা দিতে রাজি হই আমি। পরে টাকা বের করতে না করতে আলমা’রির সকল ড্রয়ার ও ঘরের সমস্ত্র লকারে চলে ব্যাপক ভাংচুর। একপর্যায়ে নিয়ে যায় ৫১ লাখ টাকারও বেশি। এই সময় উখিয়া থা’নার ওসি ম’র্জিনা আকতার নিজেই শপিং ব্যাগে করে নিয়ে যায় ভাংতি পয়সাও।

পর দিন মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) রাত ১২টার দিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে টেকনাফের হ্নিলায় ‘ব’ন্দুকযু’দ্ধে’ দু’জন মা’রা গেছে। রাত আড়াইটার দিকে টেকনাফ ভ’য়েস নামের একটি ফেসবুক পেজে এমন খবরও আসে। সেখানে যোগাযোগ করে জানতে পারি বখতিয়ার মেম্বার ও মোহাম্ম’দ তাহের নামের দুজনের মৃ’ত্যু হয়েছে ‘ব’ন্দুকযু’দ্ধে’। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতা’লে আসে তাদের লা’শ।

এর আগে ২৩ তারিখ রাতেই একটি মা’দক মা’মলা দায়ের করা হয় টেকনাফ থা’নায়। আ’সামি করা হয় ১৫ জনকে। তারপর অ’স্ত্র মা’মলাসহ আরও একটি মা’মলা হয়। যাতে আ’সামি করা হয় আমা’র তিন ছে’লেকে। মা’মলার সিজার লিস্টে উ’দ্ধার দেখানো হয় ১০ লাখ টাকা।

বখতিয়ার মেম্বারের ছে’লে হেলাল উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, আবার বাবার বি’রুদ্ধে টেকনাফ বা উখিয়া থা’নায় কোন মা’মলা বা জিডিও ছিল না। কিন্তু সম্পূর্ণ অর্থের লো’ভে পড়ে উখিয়া থা’নার ওসি ম’র্জিনা আর টেকনাফ থা’নার ওসি প্রদীপ টাকা জন্য আবার পিতাকে খু’ন করেছে। ধ’রার আগের দিন আর কথিত ব’ন্দুকযু’দ্ধের পরের দিন পরপর তিনটি মা’মলা করেছে ওসি প্রদীপ। তিনটিতে আ’সামি করা হয়েছে আম’রা তিন ভাইকে। নগদ ৫১ লাখের বেশি টাকাসহ জমির দলিল নিয়ে গেলেও মা’মলায় জ’ব্দ দেখানো হয়েছে শুধু ১০ লাখ টাকা। ফেরত দেয়নি দলিলও। বর্তমানে আমা’র পরিবার অসহায়। আম’রা সঠিক ত’দন্তপূর্বক বিচার ও টাকা এবং জমির দলিল ফেরত চাই।

বখতিয়ার মেম্বারের স্ত্রী’ শাহীন আক্তার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আরো বলেন, “বাসায় এসে পু’লিশ বলে ‘টেনশন করবেন না। একজন আ’সামিকে চিহ্নিত করতে তাকে নিয়ে যাচ্ছি’। আমা’র স্বামীর বি’রুদ্ধে মা’দকের কোন মা’মলা ছিল না। বাসায় প্রবেশ থেকে শুরু করে বেরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত সময়টি ছিলো ৫ থেকে সাত মিনিট। যা সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড রয়েছে। পরে সন্ধ্যায় এসে অমানুষিক নি’র্যাতন চালিয়ে নগদ ৫১ লাখের বেশি টাকাসহ জমির দলিল নিয়ে যায় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভাংচুর করে ডিভাইসসহ সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায়।”

বখতিয়ার মেম্বারের পুত্রবধূ রোমানা বলেন, আমি ওসি প্রদীপকে বলেছিলাম মহিলা পু’লিশ কই? পুরুষরা কেন আমা’র শাশুড়িকে অ’ত্যাচার করতেছে। তিনি হ’জ করে এসেছেন। এই কথার বলার পরই ওসি প্রদীপ আমাকে (রোমানা)এমন একটা চড় মা’রেন জীবনে আমি এরকম মা’র খাইনি কারো কাছ থেকে।
রোমানা আরো বলেন, ওসি প্রদীপ দাশ যেমন টাকা নিছে তেমনি ম’র্জিনা ভাংতি পয়সা’সহ নিয়েছে।

এ বিষয়ে অ’ভিযু’ক্ত উখিয়া থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা ম’র্জিনা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি ব

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here