ফরিদপুরে অন্যের জমি জবরদস্তি দখল করে রেখে মাদকের আখড়া।

১. আয়নাল মোল্লা, পিতা মৃত চান্দা মোল্লা
২. শাওন, পিতা আয়নাল মোল্লা
৩. শাহিন, পিতা আয়নাল মোল্লা
৪. কথিত নাজমার জামাই সেলিম (চায়ের দোকান ও হোটেল ব্যবসায়ী)
৫.সমীর কুমার দে, মাদকসেবনকারী ও ব্যবসায়ী যিনি বর্তমানে ধরাছোঁয়ার বাইরে সহ আরো কতিপয় ব্যক্তি ফরিদপুরের অন্তর্গত ২ নং হাবেলী গোপালপুর বনলতা সিনেমা হল সংলগ্ন এলাকায় ৪৭ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন যাবৎ নিজেদের দখলে রাখিয়া মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছেন। উল্লেখ্য যে এই আয়নাল মোল্লার বড় ছেলে শাহিন ওরফে ইয়াবা শাহিন সে হত্যা, অস্ত্র, ও মাদক মামলা সহ অসংখ্য মামলায় আসামি হয়ে বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আটক রয়েছে। যাহার মামলা নম্বর-১,কোতোয়ালি জি আর ২৩০/১৭ মামলা নং-২, কোতোয়ালি জি আর ৬৪২/১৭ মামলা নং- ৩, যাত্রাবাড়ী থানায় জি আর মামলা নম্বর ৩০/২০ মামলা নং-৪, অস্ত্র মামলা কোতোয়ালি জিয়ার ২২৯/১৭ মামলা নং-৫, হত্যা মামলা ভাঙ্গা থানায় জি আর ১১/২০ এসব মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ এবং সহযোগী সহ গ্রেপ্তারকৃত যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় ধৃত হইয়া বর্তমানে সে ফরিদপুর জেলা কারাগারে আটক রয়েছে। এদিকে আয়নাল মোল্লার অপর পুত্র শাওনের নামেও মাদক মামলা রয়েছে। আয়নাল মোল্লা ও তাহার দুই পুত্রের প্রভাবে ও অত্যাচারে অতিষ্ট এখন এলাকাবাসী। এই আয়নাল মোল্লার ছত্রছায়ায় কথিত নাজমার স্বামী সেলিম চায়ের দোকান ও হোটেল ব্যবসার পাশাপাশি প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এবং এই সেলিমের নামেও মাদকের মামলা আছে। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন। অন্যের জায়গা দখল করিয়া তাহারা ফরিদপুর সদর থানার আওতায় ২নং পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই বর্তমানে মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করছে আসছেন। এলাকাবাসীর একটাই প্রশ্ন তবুও কেন প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ফরিদপুর পুলিশ সুপারের প্রতি সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এবং বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য ফরিদপুর পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ বিশেষভাবে আশা করছেন এলাকাবাসী। চলমান প্রতিবেদন-১

মোঃ কাইয়ুম হোসেন
ক্যামেরা ছিলেন অজয়
টপ নিউজ টুয়েন্টিফোর
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি।ক্ষক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here