অনুসন্ধানী রিপোর্ট
সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, করোনায় লকডাউনের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগের পর এবার পারিবারিক বিরোধ মিমাংসার নামে প্রতারনা করেমোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে নড়াইলের কালিয়ার বিজয় টিভির প্রতিনিধিমোঃ সাজিদুল ইসলাম শোভনের বিরুদ্ধে।সে উপজেলার বাগুডাঙ্গা গ্রামের মৃত কওসারউদ্দিনের ছেলে। ওইসব ঘটনায় উপজেলার কালিয়া ও নড়াগাতী থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ কোন ব্যবস্থানেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশে প্রতারণার ঘটনায় একজন ভুক্তভুগী দৈনিক ভোরের বানীর সাংবাদিক কামশিয়া গ্রামের শেখ মোঃ জাহিদুর রহমান ইউএনও, কালিয়ার নিকট লিখিত অভিযোগ করলে অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নড়াগাতী থানায়প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, সাংবাদিক জাহিদুর রহমানের একটি পারিবারিক সমস্যার সমাধান করার নাম করে তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নামধারী সাংবাদিক সাজিদুল ইসলাম শোভন। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও সমস্যার সমাধান না করায় জাহিদ তার কাছ থেকে নেয়া টাকা ফেরৎ চাইলে শোভন তার সাথে দুর্ব্যবহার করাসহ সাংবাদিকতার ভয় দেখাচ্ছে। এছাড়া শোভন একজন মাদক ব্যবসায়ী ও দুশ্চরিত্রবান লোক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। জাহিদুর রহমান অভিযোগ করে আরও বলেছেন, এর আগে করোনার লকডাউনের সময় বাগুডাঙ্গা গ্রামের রেজাউল সরদারের বাড়ী লকডাউনের ভয় দেখিয়ে ২ হাজার টাকা চাাঁদা নেয়াসহ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। ওই ঘটনায় রেজাউল সরদারশোভন ও তার দুই সহযোগী চাঞ্চল্যকর পুলিশ হত্যা মামলার আসামী “এশিয়ান টিভির” কালিয়া প্রতিনিধি উপজেলার চরডুমুরীয়া গ্রামের মৃত ফেলু শেখের ছেলে পারভেজ শেখ ও সরকারী গাছ চুরি মামলার আসামী “দৈনিক ভোরের ডাক” এর কালিয়া প্রতিনিধি কলাবাড়ীয়া গ্রামের ইখলাছ সরদারেরছেলে রিয়াজুল ইসলামের নামে নড়াগাতী থানায় লিখিত অভিযোগ করেওকোন প্রতিকার পাননি। দক্ষিন যোগানীয়া গ্রামের রকিত শেখকে সাংবাদিকতার নামে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগেশোভন ও তার ওইসব সহযোগীদের বিরুদ্ধে নড়াগাতী থানায় একটি জিডি করেছেন। এর আগে শোভন ও তার ওইসব সহযোগীরা ক্যামেরা, মাইক্রোফোনসহ কমান্ডো ষ্টাইলে উপজেলার ফুলদাহ গ্রামের মোঃ আশরাফুলমোল্যার বাড়ীতে গিয়ে তার প্রবাসী জামাইকে জঙ্গিদের অর্থ যোগানদাতা হিসাবে উল্লেখ করে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা আদায় করাসহ দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। ওই ঘটনায় আশরাফুল মোল্যা কালিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া শোভনের ওইসব সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির আরও অভিযোগ রয়েছে। ওইসব গুরুতর অভিযোগ থেকে বারবার অদৃশ্য শক্তির বলে পার পেয়ে যাওয়ায় সাংবাদিক নামধারীশোভন ও তার সাংবাদিক নামধারী সামাজিক ক্রিমিনাল সহযোগীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। সাংবাদিক নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজ প্রতারকদের সকল অপকর্মের বরিুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনসহ প্রতারণা মূলক ভাবে তার কাছ থেকে অর্থ হাতিয়েনেয়ার ঘটনার বিচার ও দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির দাবি করেছেন। নামধারী সাংবাদিক সাজিদুল ইসলাম শোভন ওইসব অভিযোগ অস্বীকার করলেও সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here