Top news 24

অনলাইন ডেস্ক

স্ট্যাম্প জালিয়াতির মাধ্যমে মেহেরপুর ডিসি অফিসের পিয়নরা বনে গেছেন কোটিপতি।

সম্প্রতি ১৪ কোটি টাকার স্ট্যাম্প জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হলে বেরিয়ে আসে তাদের অর্থবিত্ত ও সম্পদের সন্ধান। জালিয়াতির ঘটনায় মেহেরপুর ডিসি অফিসের নাজিরের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা হলেও ধরা পড়েনি তিনি। জেলা প্রশাসক বলছেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শতবিঘা সম্পত্তি, একাধিক বাড়ি, গাড়ি, ট্রাক, বাস, পেট্রোলপাম্প, ইটভাটা, ফ্যাক্টরী, ক্লিনিক, বেসরকারী ব্যাংক এজেন্সির মালিক। ষ্ট্যাম্প জালিয়াতি, রাজস্ব ফাঁকি এবং রাজস্ব চুরির মাধ্যমে গত ১০ বছরে এত সব সম্পদ গড়েছেন। বলা হচ্ছে মেহেরপুর ডিসি অফিসের পিয়নদের কথা।

গত ৭ই মে ১৪ কোটি টাকার ষ্ট্যাম্প কেলেঙ্কারী ও আত্মসাৎ চেষ্টা ধরা পড়লে বেরিয়ে আসে তাদের কোটিপতি হওয়ার কাহিনী। পরে ২১শে মে সদর থানায় ডিসি অফিসের নাজির রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

রফিকুল তাঁর দুই স্ত্রী ও ছেলের নামে পাহাড় সমান সম্পদ গড়েছেন। সহযোগী সুফলেরও রয়েছে শত কোটি টাকার সম্পদ। এদের অনেকেই এখন গা-ঢাকা দিয়েছেন। ধরা পড়েনি একজনও। স্থানীয়রা বলছেন, ভয়ে এতদিন কথা বলতে চাননি কেউ।

স্থানীয় রাজনীতিবিদরা বলছেন, এটা তাদের জন্য লজ্জার। তাঁরা এই দুর্নীতিবাজদের সম্পদ জব্দ করতে দুদক ও এনবিআরের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

অভিযুক্ত সুফলের বক্তব্য তার কোন সম্পত্তি নেই। সবই তার ভাইদের। তিনি বলেন, যারা বলছে আমার শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি আছে তারা এগুলোর প্রমাণ দেখাক। এসবই আমার ভাইয়ের। আমার ভাইকে জিজ্ঞেস করলেই বুঝা যাবে কার সম্পত্তি।

এদিকে সরকার সুযোগ করে দেয়ায় সম্পদ গড়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী।

মামলা সিআইডি তদন্ত করছে। তবে উর্ধ্বতনদের অনুমতি ছাড়া কথা বলতে চায়নি সংস্থাটির কর্মকর্তা। অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপি মাকসুদুর রহমান বলেন, আমি এসপি স্যারের সাথে কথা বলছি। উনি বলেছেন অফিসিয়ালি যদি অনুমতি আনা হয় তাহলেই এ বিষয়ে কথা বলবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here