কুলাউড়া অপরিকল্পিত পৌর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠেছে বর্জ্য ফেলার স্থান হয়েছেকুলাউড়া অপরিকল্পিত পৌর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠেছে বর্জ্য ফেলার স্থান হয়েছে
আকাশ আহমেদঃ
কুলাউড়া এ গ্রেডের একটি পৌরসভা। শহরবাসীর পৌর কর্তৃপক্ষ নেই বর্জ্য পানি নিষ্কাশনের নেই সুষ্ঠু ব্যবস্থা। অপরিকল্পিত পৌর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠেছে বর্জ্য ফেলার স্থান। এদিকে শহরের অতি ব্যস্ত দক্ষিণ বাজার সড়কের পাশ ঘেষে প্রতিদিন সকালে বসে কাঁচাবাজার। কাঁচাবাজারকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন প্রচুর বর্জ্য এখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে। বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থাও অত্যন্ত নাজুক ও সেকেলে। বর্জ্য রাস্তা পাশে স্তুপ করে রাখা হয় এবং তা পঁচে-গলে বাতাসকে করে মারাত্মক দূষিত। এমন পরিস্থিতিতে সড়কের পাশে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সিহ ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল এই শহরের বেশ কয়েকটি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করছে।এসকল বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নানা রোগ জীবানুর ঝুঁঁকিতে পড়তে হয়ে। সড়কের ওপর টমটম অটো গাড়িগুলোর স্ট্যান্ড থাকায় প্রায় যানজট লেগেই থাকে। ফুটপাত না থাকায় সাধারণ পথচারীসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, পানি নিষ্কাষনের জন্য ব্যবহৃত ছোট্ট ড্রেনটি বর্জ্য ও আবর্জনার স্তুপে অচল হয়ে পড়ায় সড়কের পাশে পানি জমে থাকে। অল্প বৃষ্টি হলেই সড়কে ৩ থেকে ৫ ইঞ্চি পরিমান পানি জমে যায়। এতে পথচারীরা দুর্ঘন্ধযুক্ত দূষিত পানির ওপর দিয়ে হেঁটে রাস্তা পার হতে হয়। ব্যবসায়ীরা পড়েন বিপাকে। সড়কে পানি জমে থাকায় ক্রেতারা বাজার বিমুখ হয়ে পড়েন। ব্যবসায়ীদের দাবি, অপরিকল্পিত বর্জ্য নিষ্কাষনের ব্যবস্থার কারনেই এই দুর্দশা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, আমাদের এই রোডে যে পরিকল্পনা করা কথা সে অনুযায়ী কোন উন্নয়ন করে পৌর কতৃপক্ষের । ব্যবসায়ী মো. নেওয়ার আলী ও মো. রাশেদ উদ্দিন রনি বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও পথচারীরা যাতায়াত করতে পারে না। অনেকবার অভিযোগ দিলেও এগুলো কোন কাজে আসে নি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (এ কে এম সফি আহমদ সলমান)-কে বিষয়টি অবহিত করেছি। ময়লা আবর্জনা সড়কের পাশে জমে থাকে। এখানে একটা মন্দির আছে, স্কুল আছে, রেস্টুরেন্ট আছে এগুলোর সামনে বর্জ্য ও পানি নিষ্কাষনের একটি ড্রেন দরকার। গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা নেই। সব সময় যানজট লেগেই থাকে। উনারা আরও বলেন, অল্প বৃষ্টিতে সড়কে পানি জমে যায়। লোকজন যাতায়াত করতে পারে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ব্যবসা ছেড়ে দিতে হবে। আমরা এর প্রতিকার চাই। শহরের দক্ষিণবাজারের পাশ ঘেরা এই ব্যস্ত সড়কে অনতিবিলম্বে বর্জ্য নিষ্কাষনের আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন স্থানীয়, ব্যবসায়ী, পথচারী ও

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here