আবুল কাশেমঃ- বিশেষ প্রতিনিধিঃ-

ব্যতিক্রমী এক সমাজ সেবক মিরপুর দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদুল হক হ্যাপি। সারাদেশে যখন সরকার ঘোষিত টানা ২১ দিনের লকডাউন চলছে, বাহিরে কাজ নেই, ঘরে খাবার নেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।
ঠিক তখনি মিরপুর দারুসালাম থনাধীন কল্যানপুর বস্তির ৫শ পরিবারকে ৫ কেজি চাল,আলু ৫ কেজি, ডাল ২ কেজি, পেয়াজ, ২ কেজি,মিষ্টি আলু, হাফ কেজি মিষ্টিকুমড়াসহ নগদ অর্থও সহায়তা দিলেন তিনি। এই অনুদান ধারাবাহিক ভাবে চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন হ্যাপি। তিনি তার এলাকায় কাউকেই অভুক্ত থাকতে দেবেনা বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

গত লকডাউনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ দেখা যায়, সাথে যোগ দেন সমাজের উচ্চবর্গের বিত্তবান থেকে বিভিন্ন পেশার মানুষ, এগিয়ে আসেন বর্তমান ক্ষমতাশীন সরকারের দল আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এবার লকডানে কেউ এগিয়ে আসেনি কর্মহীন অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের পাশে।

চারিদিকে যখন খাবার ও কাজের জন্য হাহাকার পড়ে গছে ঠিক তখনি নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এলেন কাজী ফরিদুল হক হ্যাপি, বাড়িয়ে দিলেন সাহায্যের হাত । এসময় কাজী ফরিদুল হক হ্যাপি উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, আমার সাধ্য মতো যতটুকু পারি তা দিয়ে অসহায় গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি মাত্র, আমি গত লকডাউনে যথাযথ চেষ্টা করেছি এবং আমার এলাকায় সবার ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছি, এবং এবার ও মানুষের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।

নিজের সাধ্যের ভেতর থেকে চেষ্টা করবো এই ১৪ আসনের একটি লোকও যেনো না খেয়ে থাকে না, আমি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা চাই, সাধারন মানুষের আপনজন হয়ে বেঁচে থাকতে চাই, এসময় তিনি আরও বলেন, আমার এই কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে চাই যতদিন সাধারণ মানুষ কাজে ফিরতে না পারে,ততদিন তাদের বন্ধু হয়ে তাদের পাশে থাকবো।

তিনি আরও বলেন,সারাদেশের মানুষ এখন মহা সংকটময় জীবন যাপন করছেন, আমি মনে করি বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে এসে কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবার গুলোর প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানো, তাহলে সাধারণ মানুষের মনে রাজনৈতিক দলগুলো ও বিত্তশালীদের প্রতি ধারণা পাল্টে যাবে, তিনি বলেন, মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে মানুষের উপকারেই যদি আসতে না পারি তাহলে মানুষ রুপে জন্ম নেয়াই বৃথা।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, সদ্য প্রয়াত ঢাকা ১৪ আসনের এমপি আসলামুল হকের মৃত্যুতে আসনটি অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে ১৪ আসনের সর্বসাধারণ ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত হয়ে, আমি ঢাকা ১৪ আসনের শূন্য স্থানটিতে এমপি পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের সেবক হতে চাই।

এবং সদ্য প্রয়াত সংসদ সদস্য আমার অভিভাবক আসলামুল হকের রেখে যাওয়া অসম্পুর্ন কাজ গুলো সম্পুর্ন করতে চাই, তিনি ছিলেন আমার রাজনৈতিক জীবনের আইকন। তাকে অনুসরন করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

হ্যাপি আরো বলেন, আমি ঢাকা ১৪ আসনের কোনায় কোনায় বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কাজ সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কাজী ফরিদুল হক হ্যাপি ঢাকা ১৪ আসনের প্রতিটি ওয়ার্ডের সব ধরনের সমাজ সেবামূলক কার্মকান্ডে দীর্ঘদিন যাবত অংশ গ্রহনসহ ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন । উন্নয়ন ও সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডের জন্য খুব তাড়াতাড়ি সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here