একজন সিপার উদ্দিন আহমেদ’কে কেন এই সমাজ বা রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজন

বর্তমান বাংলাদেশে সমাজ পরিচালনা যাদের হাতে তাদের অধিকাংশই (সবাই না) অসৎ, দুর্নীতিবাজ আর দুষ্টু প্রকৃতির লোক।নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আমাদের তরুন সমাজকে বিপথগামী পথে ঠেলে দেন অনেক নেতারাই। তবে এই সমাজে এখনও ব্যতিক্রমী কিছু মানুষ আছেন যারা তরুণদেরকে আশার আলো দেখান কিংবা সমাজকে ভালো পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করেন।

সৎ, সজ্জন কিংবা মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর গুণাবলীর থেকে অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমেদের সৃষ্টিশীল কিংবা সৃজনশীল গুণ’টি আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়।

“তিনি যেখানেই হাত দিয়েছেন সোনা ফলিয়েছেন” -তার ক্ষেত্রে যেন অনেকটাই তাই।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার দায়িত্ব নেয়ার পর তার নানামুখী পদক্ষেপ কুলাউড়ার ক্রীড়াঙ্গনকে যেমন নতুন মাত্রা এনে দেয় তেমনি গতিশীল করে তোলে। এক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে অনেক সাফল্যও।

কুলাউড়ার অনেক স্থানীয় পত্রিকা যখন শুধুমাত্র নিজেদের প্রচার ও নানা দুর্নীতি ঢাকার জন্য ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল তখন তার সম্পাদিত সংলাপ পত্রিকা সাধারণ পাঠকের মনে সত্য বলার জন্য আস্থার জায়গা করে নেয়।

এক ঝাঁক তরুণ সংবাদ কর্মী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সংলাপ এবং অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমেদ । সংলাপে কাজ করা অনেক সংবাদকর্মীই এখন দেশের জাতীয় গণমাধ্যমে সগর্বে কাজ করছেন।

মানুষ গড়ার কারিগর একজন শিক্ষক হিসেবেও তিনি স্বনামে কাজ করছেন ।

দেশে কিংবা বিদেশে বিভিন্ন আলাপ আলোচনা এবং আড্ডায় তার বিষয়ে আলোচনা হলে প্রথম যে বিষয়টি সামনে আসে সেটি হচ্ছে তিনি তরুণদের কাছে সবচেয়ে বেশি পছন্দের মানুষ। দল-মত নির্বিশেষে তরুণরা তার কাছে ছুটে আসে।

দেশের মোট জনসংখ্যার বেশিরভাগই তরুণ। এই তরুণ সমাজকে যদি সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে কাজে লাগানো যায় তাহলে দেশ যে আরো এগিয়ে যাবে এটি বলার অপেক্ষা রাখে না । আর এই জন্য অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমেদ’দের ই নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে।

আসছে কুলাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার কথা রয়েছে। আমি তার সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।

কুলাউড়ার মানুষ নির্বাচনে নিশ্চয়ই সৎ ,সজ্জন আর যোগ্য ব্যক্তিকে বেছে নেবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here