অনুসন্ধানী রিপোর্ট,,বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি অনেকটাই নষ্ট হয়েছে ওসি প্রদিপ দাসের জন্য । এইরকম প্রদিপ দাসরা একা নয় , আছে আরও অনেকেই , লুকিয়ে থাকা প্রদিপ দাসদের এখনই থামিয়ে দেয়া উচিত , এই প্রদিপ দাসের বিরুদ্ধেও অনেক লেখা লেখি হয়েছিল , আপসুছের ব্যাপার এটাই যে যারাই সত্যটা তুলে ধরেছিল তাঁরাই বিপদে পরেছে , থামিয়ে দেয়া হয়েছিল প্রতিবাদের কলম , যার ফল আজ চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসন প্রশ্নবিদ্ধ । পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধতা দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয় । ইদানিং সাভার থানার ওসি সাহেবকেও প্রশ্নবিদ্ধ করাহচ্ছে , বিরুলিয়া শামপুরে ।

ছিঁচকে মাস্তান সামসুল হক , আমাদের এক রিপোটারের সামনে আলোচনা করছিল , শামপুর নতুন আবাসনের কয়েক জনের সাথে , বুঝতে পারেনাই যে গনমাধ্যম কর্মি উপস্থিত , আলোচনাটা ছিল এইরকম ; সাভার থানার ওসি সাহেবের আপন বড়ভাই আমাদের সাথে ব্যবসার পার্টনার , তুফান আর আমি যেই জমি দখল করে রাখছি সেটা ওসির সাহেবের বড় ভাইয়ের , সাথে আছে স্থানিয় রাঘব বোয়াল । আর এই কথা নিতেই শামপুরের জনমনে জল্পনা কল্পনা সমালচনা , গ্রামের নিরিহ মানুষ এখন এটাই ভাবছে যে , এই কারনেই জুলুমবাজ অত্যাচার কারিরা নিরাপদে ঘুরে বেরাচ্ছে । চলছে সন্ত্রাসিদের লাগামহীন নৈরায্য ।

কে সেই সামছুল হক ? খোঁজ নিয়ে যানাযায় তার বাপ চাচা ছিল ডাকাত , সে ছিল বিএনপির আলাল চেয়ারম্যানের সন্ত্রাস বাহিনির ইনফরমার , বর্তমানে শামপুরের ছিঁচকে মাস্তান , দখলবাজদের সহযোগি । যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চলে , নিখিল সাহেবের ছবি ঝুলিয়ে যুবলীগ সেজেছে , অথচ সামসুল হককে কেউ বা কোন নেতা কখনই কোন মিটিং মিছিলে দেখেনি , যুবলীগের কোন সদস্যও না , অথচ যুবলীগের তথা আওয়ামিলিগের ভাবমূর্তি নষ্ট করেই চলছে । শামসুলের আস্রয়দাতার নাম তুফান ।

কে সেই গরিবের সম্পদ লুন্ঠনকারি ? কে সেই প্রতারক তুফান ? ভুমিদস্যুতা ও দখলবাজির কারনে তাকে যুবমৈত্রি থেকে বহিস্কার করা হয়েছে , টাকা আত্মসাত , ধর্ষন সহ আরও নানা অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে ।আমরা খোঁজ নেই তার গ্রামের বাড়ি ও মিরপুর ১০নং এ ।

নাম তার আবুল হোসেন তুফান ,পিতা মৃত ওয়াজ মুহাম্মদ মন্ডল , মাতা মৃত আশেদা বেগম , গ্রা: কানার্দী ডাক: মালেগাঁও থানা পিরগন্জ জেলা ঠাকুরগাঁও ।

তুফানের পৈত্রিক সম্পদ কিছু নাই বল্লেই চলে , শশুর বাড়ির সম্পদ কিছু ভাগ পায় । শশুরের জমি পাওয়ার পর সেখানে চারতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে দোতালা কম্পিলিট করে । গ্রামে বর্তমানে সকলেই জানে তার নিজের হাউজিং ব্যবসা আছে , রমরমা ব্যবসা চলছে তার , তার হাউজিং প্রযেক্ট সাভারে , তার হাউজিং এর নাম স্বপ্নের মোহনা ।

তুফানের দুর্নীতির খবর বেরুলে বাড়ির কাজ বন্ধ করে , বর্তমানে ওর ব্যান্ক একাউন্ট পাঁচ টি , ওর ও ওর বৌয়ের নামে ,
তুফান আগে ভাড়া থাকত মিরপুর ১০নং এ , এক রুম ভারা নিয়ে থাকত ( বেনারসি পট্টি ) । একরুম ভারা প্রতিমাসে পরিষদ করতে পারতো না , অথচ গ্রামের বাড়িতে সবাই জানে যে , ফিল্টার পানির ব্যবসা করে তুফান আজ কোটিপতি , হাউজিং ব্যবসার মালিক । বাস্তবে কুলির মত খেটে খাওয়া সেই তুফান আজ কোটিপতি , মাত্র তিন বছরে কোটিপতি , যেন সে টাকার ক্ষনি পেয়েছে । হা সে টাকার যে ক্ষনি পেয়েছে , সেই ক্ষনিক নাম ভুমিহিন আভাসন , অসহায় গরিব ভুমিহীনদের উন্নয়নের টাকা আজ তার পকেট ।
তুফান বর্তমানে কিছু মাস্তান পালে , এক নাম্বার মাস্তান শামসুল হক , আরও আছে ৫/৬ জন ,৫০০/১০০০ টাকা খরচ দেয় একদিন দুইদিন পর পর , বর্তমানে তুফানের পালিত ৫/৬ জন পুরুষ ও ২জন মহিলা আছে , যারা ওর অন্যায় কাজের অংশিদার ।

উল্লেখিত জুলুমবাজদের উপর গ্রামের নিরিহ জনগনের খোব দিন দিন বেরেই চলছে ।

………. চলবে ……..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here